You are here: Home / অনুভূতি / কষ্টের কথা কোন মুক্তিযোদ্ধা ভুলতে পারবে না

কষ্টের কথা কোন মুক্তিযোদ্ধা ভুলতে পারবে না

Khalil Khanখলিলুর রহমান খান
১৯৭১ সালে আমি মাদারীপুরের নাজিমউদ্দিন কলেজের ছাত্র। দেশে তখন অস্থির অবস্থা বিরাজ করছে। পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন করতে থাকি। ১৯৭১ সালের ২ মার্চ নাজিমউদ্দিন কলেজের বর্তমান শহীদ মিনারের কাছে পাকিস্তানের পতাকা পুড়ে ফেলি। আমার সাথে ছিল শহীদ মতিউর রহমান। নির্দেশনায় ছিলেন বর্তমান নৌ-পরিবহন মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান খান।
ক্রমে ক্রমে দেশের অবস্থা খারাপ হতে থাকে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চ ভাষণের পর থেকে আমরা ওদের মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুত হয়ে যাই। ২৫ মার্চ ইয়াহিয়া খান ও বঙ্গবন্ধু ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে বৈঠক করে। ইয়াহিয়া খান কোন সিদ্ধান্ত না দিয়ে চলে যায় পশ্চিম পাকিস্তান। সেই রাতে পাক সেনারা আক্রমণ করে নিরীহ বাঙালীদের উপর। প্রাণ হারান অজ¯্র বাঙালী। এ খবর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। দেশকে শত্রুমুক্ত করার জন্য বাঙ্গালীদের যুদ্ধেদের জন্য আহবান জানান। আমরা কয়েকজন যুদ্ধে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হই। প্রথমে আমরা মাদারীপুরের শারীরিক প্রশিক্ষণ নেই। প্রাইমারি স্কুলের সামনে সৈয়দ সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে আমরা প্রশিক্ষণ নেই। অস্ত্রের প্রশিক্ষণ নেয়ার জন্য আমাদের ভারতে পাঠানো হয়। ক্যাপ্টেন শওকত-এর নেতৃত্বে ১৬৫ জনের একটি দল ভারত যাই। যুদ্ধে যাওয়া জন্য পরিবার থেকে কোন বাধাঁ আসেনি। দেশের প্রেমে পাগল হয়ে যুদ্ধে গিয়েছি। যুদ্ধে যাওয়ার জন্য মা উৎসাহ দিয়েছেন।
প্রথমে আমরা লঞ্চে চাঁদপুর যাই। সেখান থেকে ৩ রাত ৩ দিন হেটে ত্রিপুরা রাজ্যের বেলুনিয়ায় যাই। পথে খাবার ছিল শুধু চিড়া। প্রথমে আমরা ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার কাঠালিয়ায় অবস্থান করি। সে এলাকা শুধু বন-জঙ্গলে ঘেরা ছিল। আমরা প্রশিক্ষণের জন্য বন-জঙ্গল পরিস্কার করি। বেশ কয়য়েক দিন পরিস্কার করে আমরা তাবু স্থাপন করি। খুবই কষ্টের কাজ ছিল। কষ্টের জন্য সেখান থেকে ১৫ জন দেশে ফিরে আসে। আমাদের কয়েকজনকে নিয়ে যায় কলকাতায় অস্ত্রের প্রশিক্ষণ দিতে। থ্রি নট থ্রি, এসএলআর, এসএমজি, টুইঞ্চ হ্যান্ডগ্রেনেড, এক্সপ্লোসিভ, টুইঞ্চ মর্টার, এনআর গান, এন্টিট্যাঙ্ক ও এন্টি পারসোনাল মাইন ইত্যাদি অস্ত্র সম্পর্কে প্রশিক্ষণ নেই। সেখানে আমাদের প্রশিক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন ক্যাপ্টেন হানিফ, মেজর শাবেক সিং। আমরা ২১ দিন প্রশিক্ষণ নেই। অল্প দিনে আমরা অস্ত্র সম্পর্কে পারদর্শী হয়ে উঠলাম। ঘুমানোর সময় ছিল মাত্র ৪ ঘন্টা। যুদ্ধের প্রশিক্ষণের কষ্টের কথা কোন মুক্তিযোদ্ধা ভুলতে পারবে না। হাজারে হাজারে বাঙালি যুদ্ধের প্রশিক্ষণ নিয়েছে। সাহায্য করেছে ভারত সরকার। প্রশিক্ষণ নিয়ে আমরা দেশে রওনা হই। আমাদের মাদারীপুর পৌছাতে গাইড দেন কর্নেল মাহাবুব। আমার সাথে ছিল একটি দল। তারা হল মোনাসেফ, হোসেন শরীফ, গৌরাঙ্গ বিশ্বাস, হারুন শরীফ, বাদল, শাজাহানসহ আরও কয়েকজন। আমাদের প্রত্যেককে দেওয়া হয় দুটি হ্যান্ডগ্রেনেড ও একটি বেয়নেট। ৫ জনকে একটি এসএলআর ও কয়েক রাউন্ড গুলি। কলকাতা থাকাকালীন শুনলাম ২৩ এপ্রিল মাদারীপুরের মান্নান ভূইয়ার বাড়িতে বিমান যোগে আক্রমণ হয়েছে। আমি ২১ জনকে ৪টি গ্রুপে ভাগ করি। এক গ্রুপের বাদল ও শাজাহান পাক সেনাদের হাতে ধরা পড়ে। আমাদের যোগাযোগ কিছু দিনের জন্য জন্য বন্ধ হয়ে যায়। আমি আবারও (দ্বিতীয় বার) কলকাতায় যাই। ২১ জনের একটি দল নিয়ে মাদারীপুরে ফিরি। সেই দলে ছিল তসলিম আহমেদ, আচমত, বিশু।
দেশে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা দিনে দিনে বাড়তে থাকে। আমরা মাদারীপুর জেলার কেন্দুয়া-বাজিতপুরের কলাগাছিয়া মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্প স্থাপন করি। পাকবাহিনীর যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করার জন্য বিভিন্ন জাগায় আক্রমণ করি। একদিন আমরা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করার জন্য অবদা (পাওয়ার হাউজ) আক্রমণ চালাই। ৫ জনের একটি দল রাতে আক্রমণ করি। এক্সপ্লোসিভ দিয়ে পাওয়ার হাউজ নষ্ট করে ফেলি। তারপর চরমুগরিয়া পাটগুদামে আগুন দেই। তখনও আমরা পাকবাহিনীর সাথে সরাসরি মোকাবেলা করতে পারিনি। কারণ ওদের সাথে মোকাবেলা করার মত কোন শক্তিশালী অস্ত্র ছিল না। আমি বুঝতে পারলাম আরো উন্নত অস্ত্র লাগবে। উন্নত অস্ত্র আনতে আমাকে যেতে হয় কলকাতায়। কলকাতায় গিয়ে আমি কর্নেল শওকত সাহেবকে আমার আসার কথা বলি। কর্নেল শওকত সাহেব বর্তমান ডেপুটি স্পিকার। তার কাছে আমি উন্নত অস্ত্র চাই। কর্নেল সাহেব আমাকে বিপুল পরিমাণ এক্সপ্লোসিভ, এন্টিট্যাঙ্ক, এনন্টি পারসোনাল মাইন, টুইঞ্চ মর্টার, এলএমজি, এসএলআর ইত্যাদি অস্ত্র দেয়। আমার সাথে শরীয়তপুরের নড়িয়া বাড়ি দুজন প্যারামেডিকেল ডাক্তার আবুল কাশেম ও আবুল হাশেমকে দেন। আমি তাদের নিয়ে ঘাসি নৌকায় নোয়াখালী দিয়ে তাদের এলাকায় যাই। তখন যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল শুধু নৌকায়। তারপর নড়িয়া থেকে ছৈওয়ালা নৌকায় করে ক্যাম্পে চলে আসি। সব অস্ত্র যোদ্ধাদের মাঝে ভাগ করে দেই। পাকদের সাথে মোকাবেলা করার জন্য আমাদের যথেষ্ট শক্তি সার্মথ্য হয়। আমরা একে একে আক্রমণ করতে থাকি পাকবাহিনীর ঘাঁটি। আমাদের প্রথম লক্ষ্য ছিল যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করা। আগষ্ট মাসের প্রথম দিকে ডিনামাইড দিয়ে মাদারীপুর ও মস্তফাপুরের সড়কের চোকদার ব্রীজ উড়িয়ে দেই। তারপর রাজৈর থানার আমগ্রামের ব্রীজ ও সমাদ্দার ব্রীজ উড়িয়ে দেই। পাকবাহিনীর যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ে।
একদিন খবর পেলাম পাকবাহিনী ফরিদপুর যাবে রাতে বেলায়। আমরা মস্তাফাপুর এ্যামব্যুশ (আত্মগোপন করা) করে থাকি। আমার সঙ্গী শাজাহান সরদারকে পাঠাই মাদারীপুর খাগদী স্থলমাইন পুতে রাখতে। ওই মাইন-এর বিস্ফোরণে পাকসেনাদের গাড়ি উড়ে যায়।
মাদারীপুরে পাকসেনাদের ক্যাম্প ছিল এ.আর. হাওলাদার মিলে। আমরা রাতে সাত-আট জনের একটি দল আক্রমন করি এ. আর. হাওলাদার মিল। আক্রমণে কিছুই হয়নি। আবারও চরমুগরিয়ায় পাটের গোডাউনে আগুন দেই।
বাঙালীদের মধ্যে যেমন ছিল মুক্তিযোদ্ধা, তেমন ছিল পাকদের সাহায্যকারীও। এদের আমরা রাজাকার হিসেবে চিনি। মাদারীপুরে বিভিন্ন স্থানে রাজাকার ছিল। ঘটকচর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ছিল রাজাকারের ক্যাম্প। আমরা আক্রমণ করি ক্যাম্পে। আক্রমণে মারা যায় ১২ থেকে ১৩ জন রাজাকার। তাদের সব অস্ত্র আমরা নিয়ে আসি। কালকিনি থানা ছিল পাক সেনাদের দখলে। সেখানে আক্রমণ করে পাকদের বিতাড়িত করি। আস্তে আস্তে মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। পাকবাহিনী কোণঠাসা হয়ে পড়ে। পাকবাহিনী অনেক হিন্দু এলাকায় আক্রমণ করে হিন্দুদের হত্যা করেছে।
মাদারীপুরের উত্তর দুধখালীতে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে শতাধিক হিন্দু। সমাদ্দারে ছিল অনেক রাজাকার। তারা মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়ি-ঘরে লুট করতো। তাই একদিন সেখানে রাজাকারদের শেষ করার জন্য যাই। সমাদ্দারের ব্রীজ উড়িয়ে দেয়ার পর পাকসেনারা গাড়ি চলাচলের জন্য লোহার চালি ফেলে। সেটা পাহারা দেয়ার জন্য থাকত রাজাকাররা। একটি ছোট নৌকাকে বরয়াত্রী সাজিয়ে সেখানে যাই। নৌকার মাঝি ছিল শুধু বাইরে। আমরা ৭ থেকে ৮ জন ছিলাম নৌকার ছৈ-এর ভিতরে। ওখানে যাওয়ার পর রাজাকাররা মাঝিকে ডাক দেয়। মাঝিকে বলে রাখি তাদের কাছে যাওয়ার পর পানিতে ঝাপ দিতে। যখন ওদের কাছে গেলাম হঠাৎ গুলি করতে আরম্ভ করি। ৩ জন সাথে সাথে মারা যায়। একজনকে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে আসি। ক্যাম্পে নিয়ে আসার পরে তাকে হত্যা করি। এভাবেই চলে যুদ্ধ।
রাতে আমরা ক্যাম্পে থাকতাম না। দিনের বেলায় ক্যাম্পে থাকতে হতো। নভেম্বর মাসের এক সকালে পাকসেনারা আক্রমণ করে আমাদের ক্যাম্প। সেদিন ওরা ক্যাম্পে আগুন জ্বালিয়ে দেয় ও তার আশপাশের এলাকার পঁচাশি জনের বেশি লোককে হত্যা করে। কোন মুক্তিযোদ্ধা মারা যায় নি। আমি দুপুর বেলা সেখানে পৌঁছাই। দেখি শত শত মানুষের লাশ হয়ে পড়ে রয়েছে। সেই করুণ দৃশ্যের কথা মনে হলে মনের অজান্তে হৃদয়টা হু হু করে কেঁদে ওঠে। কতই ত্যাগ ও কতই কষ্টে এই বাংলাদেশ, তা শুধু মুক্তিযোদ্ধারা ছাড়া আর কেউ বুঝবে না। আবারও আমরা এলাকার মানুষের সাহায্যে ক্যাম্প তৈরি করি। ডিসেম্বর মাসে যুদ্ধের আভাস পাওয়া যায়। চারিদিকে মুক্তিবাহিনীর জয় হতে থাকে।
৭ ডিসেম্বর গোপনে শুনতে পাই, ৮ ডিসেম্বার পাক সেনারা ফরিদপুর যাবে। স্থানে স্থানে আমরা রাতে এ্যামবুস করি। ৮ তারিখ সকালে পাকবাহিনীর ৩টি গাড়ি ঘটকচরের রাস্তা হয়ে ফরিদপুর যাচ্ছে। পথের মধ্যে একটি গাড়ি মাইন দিয়ে উড়িয়ে দেই। বাকি গাড়ি দুটি সমাদ্দার গিয়ে পজিশন নিয়ে আমাদের সাথে লড়াই করে। এ লড়াই দশ তারিখ পর্যন্ত চলে। দশ তারিখে আমার সাথে যুদ্ধ করছিল সরোয়ার হোসেন বাচ্চু শরীফ। পাকদের একটি গুলি ওর জীবন কেড়ে নেয়। এখন ওর নামে মাদারীপুরে একটি সড়ক তৈরি হয়েছে। দশ তারিখে সন্ধ্যার দিকে পাকবাহিনী আমাদের কাছে আত্মসমর্পন করে। পাকবাহিনীর মেজর হামিদ খটকের নেতৃত্বে ২৫ জন সৈন্য অস্ত্রসহ আত্মসমর্পন করে। পাকবাহিনী মারা গিয়েছিল ১৫ জন। ওরা তখন লজ্জিত অবস্থায় ছিল। লাশগুলো মাটিচাপা দেই সমাদ্দারে। তারপর পাকসেনাদের সাথে আমরা বন্ধুসুলভ আচরণ করি। পাকসেনারা ভাবতো মুক্তিযোদ্ধা মানেই হিন্দু। ওদের ভয় ছিল যে ওদের আমরা মেরে ফেলব। সেখান থেকে ১১ ডিসেম্বর আমাদের ক্যাম্পে নিয়ে আসি। সেখানে ২ দিন রাখি। তারপর ১৩ তারিখ আহত সৈন্যদের মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করি। বাকিদের জেলে আটকে রাখি।
১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত আত্মসমর্পন করে পাকসেনারা। আমরা পাই স্বাধীন বাংলা। তারপর আমাদের অস্ত্র জমা দিলাম। ২৬ ডিসেম্বর ইন্ডিয়ান আর্মি এসে পাকসেনাদের নিয়ে যায়। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে সকল বাঙালী।
এত কষ্ট ত্যাগ-তিতিক্ষা আর রক্তের বিনিময় অর্জিত এই দেশ। কত মাকে হারাতে হয়েছে তার সোনামনিকে, কত বোন হারিয়েছে তার ভাইকে। কত নারী হয়েছে ধর্ষিতা। হায়রে কপাল। আজ অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে যে মীরজাফরের মত বাঙালীর কারণে মুক্তিযোদ্ধারা হয়েছে প্রতারিত। যাদের কারণে পাকবাহিনী পেয়েছে সুযোগ আমাদের ঘায়েল করার। অথচ সেই সব রাজাকাররা মুক্ত মনে মুক্ত আকাশের নিচে স্বাধীনভাবে বসবাস করছে। যুদ্ধের প্রায় ৩৯ বছর পরেও বিশ্বাসঘাতক দেশদ্রোহীদের বিচারের আওতায় আনতে পারিনি। এদের বিচার না হলে যুদ্ধের সুফল কখনো আসবে না। তাই দেশের সকলের কাছে আমার আবেদন, আসুন আমরা সবাই মিলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে কলঙ্ক মুক্ত বাংলাদেশ গড়ি।
নতুন প্রজন্মের প্রতি আমার একান্তই আবেদন তোমরা মূল্যায়ন করতে শেখো এক সাগর রক্তের বিনিময় অর্জিত দেশের, এ দেশের জন্য তোমাদের কী করা দরকার তোমরা একবার ভেবে দেখ। একটি দেশের বর্তমানকে চেনা যায় তার গৌরবময় ইতিহাস দ্বারা। অতীত দিয়ে অর্থাৎ অতীতের ইতিহাস বিশ্লেষণ করে গঠিত হয় বর্তমান। ইতিহাসের কিছু কিছু ঘটনা মানুষের মনে জোগায় চেতনা। আর এই চেতনা দিয়েই তৈরি হবে সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ। তাই আমাদের সকলকে একাত্তরের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে হবে। জানতে হবে কোন বাঙালী সন্তানেরা নির্দ্বিধায় দিয়েছে বুকের তাজা রক্ত। ছোট এই বাংলাদেশটি যেন বিশ্বের মানচিত্রে মাথা উচুঁ করে দাড়াতে পারে সে জন্য সকলকে হতে হবে পরিশ্রমী। এদেশ বর্তমানে যে অধঃপতনের দিকে যাচ্ছে তা রোধ করতে হবে নতুন প্রজন্মকেই। তারা শ্লোগান, নাটক, কবিতার দ্বারা গড়ে তুলবে সোনার বাংলার চেতনা।

অনুভূতি: খলিলুর রহমান খান, যুদ্ধকালীন কমান্ডার, খলিল বাহিনী, মাদারীপুর।
অনুলিখন: মিলন মুন্সী, সম্পাদনায়: জহিরুল ইসলাম খান, রচনাকাল: ২০১০ইং।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top