শীঘ্রই পরিপূর্ণরূপে আসছে অনুভূতি’র এই ওয়েবসাইটি। আগামীতে লেখকরা সরাসরি নিজেদের লেখা দিতে পারবেন। এখন লেখা প্রকাশের জন্য ইমেইল করুন: bisleson@yahoo.com
সব দিন যদি বিজয় দিবস হতো!

সব দিন যদি বিজয় দিবস হতো!

তাশরিক সঞ্চয়: সেই রাতে ঘুম হতো না। কখন ভোর হবে! কখন হাড় কাঁপানো শীতে ঘর থেকে বেরুবো। বার বার হাতে নেড়ে দেখতাম পরিপাটি করে গুছিয়ে রাখা জামা-জুতো আর সকালের সাজ। ঠিক যেন নির্মলেন্দুর কবিতায় … অমর কবিতা শুনতে অধীর আগ্রহে ... Read More »

আপনজনের লাশ দেখে চোখে একটুও পানি আসে নি!

আপনজনের লাশ দেখে চোখে একটুও পানি আসে নি!

যোগেশ চন্দ্র ঘোষ: ১৯৭১ সালে আমার বয়স ৩৫ বছর। তখন আমি পোষ্টমাষ্টারের চাকরি করতাম। দেশে যুদ্ধ লেগেছে সে কথা জানতাম। পাকবাহিনী হিন্দুদের প্রতি বেশি অত্যাচার করত। আমাদের এলাকার সবাই ছিল হিন্দুবসতি। আমরা আতঙ্কিত ছিলাম যে, পাক বাহিনী আমাদের আক্রমণ করতে ... Read More »

‘মাতৃভূমির প্রতি প্রেম সদা জাগ্রত থাকতে হবে’

‘মাতৃভূমির প্রতি প্রেম সদা জাগ্রত থাকতে হবে’

আলমগীর হোসাইন: আমার বয়স তখন ২৩ বছর। আমি তখন করাচিতে বিমানবাহিনীতে চাকরি করি। ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে দেশের অবস্থা ভাল ছিল না। ১৯৭১ সালের ২১ মার্চ আমি মাদারীপুরে ছুটে আসি। দেশে যুদ্ধ শুরুর পর আর সেখানে ফিরে যাই নি। যোগ দিলাম ... Read More »

কষ্টের কথা কোন মুক্তিযোদ্ধা ভুলতে পারবে না

কষ্টের কথা কোন মুক্তিযোদ্ধা ভুলতে পারবে না

খলিলুর রহমান খান ১৯৭১ সালে আমি মাদারীপুরের নাজিমউদ্দিন কলেজের ছাত্র। দেশে তখন অস্থির অবস্থা বিরাজ করছে। পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন করতে থাকি। ১৯৭১ সালের ২ মার্চ নাজিমউদ্দিন কলেজের বর্তমান শহীদ মিনারের কাছে পাকিস্তানের পতাকা পুড়ে ফেলি। আমার সাথে ছিল ... Read More »

চোখের সামনেই বাবা ও হাতিকে গুলি করে পাকবাহিনী

চোখের সামনেই বাবা ও হাতিকে গুলি করে পাকবাহিনী

অরুন কুমার দাস: মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকারদের সহায়তায় পাক হানাদার বাহিনী গুলি করে হত্যা করে আমার বাবা সার্কাস মালিক লক্ষ্মণ দাসকে। মুক্তিযুদ্ধের শেষের দিকে আমি আর বাবা উঠানে দাড়ানো ছিলাম। পাক বাহিনী অতর্কিত আমাদের বাড়ি আক্রমণ করে। আমার বাবা ব্যাংকে টাকা ... Read More »

সহযোদ্ধারা মনে করেছিল আমি মারা গেছি

সহযোদ্ধারা মনে করেছিল আমি মারা গেছি

শাহজাহান হাওলাদার: ১৯৭১ সালে আমি নাজিমউদ্দিন কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষার্থী। রাজনীতিতে ওতপ্রোতভাবে ছাত্রলীগে জড়িত ছিলাম। আন্দোলনের মধ্যে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগদান। আমি যুদ্ধের জন্য ভারতে যাই। আমার নেতৃত্বে ২১ জনের একটি দল নিয়ে ভারতে যাই। আমার দলে ছিল মোক্তার হোসেন, আনোয়ার ... Read More »

মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা

মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা

সুলতান বেপারী: ১৯৭১ সালে আমার বয়স ১৪ থেকে ১৫ বছর। দেশে যুদ্ধ লেগেছে সে কথা শুনেছি। রেডিওতে চরমপত্র নামে যুদ্ধের খবর শুনতাম। যুদ্ধের সব খবর চরমপত্র খবরে প্রচার করা হত। একদিন সন্ধ্যা বেলায় চরমপত্র খবর শোনার জন্য মাদারীপুর সদর উপজেলার ... Read More »

যুদ্ধের প্রতিটি দিনের কথা আজও মনে আছে

যুদ্ধের প্রতিটি দিনের কথা আজও মনে আছে

শওকত খলিফা: ১৯৭১ সালে আমি মিঠাপুর লক্ষ্মী নারায়ণ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্র। সংসারে অভাবের কারণে লেখাপড়া ছেড়ে সিলেটে ধান কাটতে যাই সেখানে থেকে শুনতে পাই দেশে যুদ্ধ লেগেছে। তাই ধান কাটা শেষ করে আমরা বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা দেই। আমাদের ... Read More »

সবাই বিজয় মিছিল নিয়ে ফিরলো, ও ফিরলো লাশ হয়ে

সবাই বিজয় মিছিল নিয়ে ফিরলো, ও ফিরলো লাশ হয়ে

রোকেয়া বেগম:  ১০ তারিখ সবাই বিজয় মিছিল নিয়ে ফিরলো, আমার ছেলে ফিরলো নিথর দেহে। এত ছোট মানুষ ও, তখন ১৪ বছর বয়স ছিল। তখন মাদারীপুরের মধ্যে এত কম বয়সী কেউ যুদ্ধে যায় নাই। আমার প্রথম সন্তান বাচ্চু। ও যখন যায়, ... Read More »

মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা একজন

মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা একজন

জয়গোপাল ঠাকুর: মুক্তিযুদ্ধে বিজয় যখন দ্বারপ্রান্তে তখন একদিন পাকবাহিনী ও তার দোসরদের হাতে শহীদ হন মিঠাপুর এলাকার শতাধিক মানুষ। অস্ত্র-শস্ত্র সজ্জিত পাকবাহিনীকে রাজাকাররা পথ চিনিয়ে নিয়ে আসে মিঠাপুরের শিকদার বাড়িতে। সেই সময় পাকবাহিনীর হাত থেকে বেঁচে যাওয়া একমাত্র ব্যক্তি আমার ... Read More »

শীঘ্রই পরিপূর্ণরূপে আসছে অনুভূতি’র এই ওয়েবসাইটি। আগামীতে লেখকরা সরাসরি নিজেদের লেখা দিতে পারবেন। এখন লেখা প্রকাশের জন্য ইমেইল করুন: bisleson@yahoo.com
Scroll To Top